সুন্নাহসম্মত আত্মিক সুরক্ষা
রুকইয়াহ শারইয়াহ — আত্মিক ও মানসিক সুরক্ষার কুরআনী চিকিৎসা
কুরআনের মাধ্যমে সকল প্রকার রোগ, বদনজর, জাদুটোনা ও মনের অস্থিরতা দূর করার শরীয়তসম্মত শক্তিশালী আমল।
রুকইয়াহ শারইয়াহ পূর্ণাঙ্গ অডিও
ক্বারী মিশারি রাশিদ আল-আফাসী
🛡️ রুকইয়াহ কী এবং এর গুরুত্ব
'রুকইয়াহ শারইয়াহ' (الرقية الشرعية) হলো পবিত্র কুরআনুল কারীমের নির্দিষ্ট কিছু আয়াত এবং রাসূলুল্লাহ (সা.) কর্তৃক শেখানো দোয়াসমূহ পাঠ করে নিজের ওপর বা কোনো অসুস্থ ব্যক্তির ওপর ফুঁক দেওয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে ইরশাদ করেছেন— "আর আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত।" (সূরা বনী ইসরাঈল: ৮২)
📖 রুকইয়াহ শারইয়াহর প্রধান কুরআনী আমলসমূহ
সূরা আল-ফাতিহা (১–৭ আয়াত)
আয়াতুল কুরসি (সূরা আল-বাকারা: ২৫৫)
সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫–২৮৬)
সূরা আল-ইখলাস (কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ)
সূরা আল-ফালাক্ব (কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক্ব)
সূরা আন-নাস (কুল আউযু বিরাব্বিন নাস)
আয়াতুল কুরসি (সূরা আল-বাকারা: ২৫৫)
সূরা আল-বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫–২৮৬)
সূরা আল-ইখলাস (কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ)
সূরা আল-ফালাক্ব (কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক্ব)
সূরা আন-নাস (কুল আউযু বিরাব্বিন নাস)
আমল করার সহজ সুন্নতি নিয়ম
১. পবিত্রতা অর্জন: প্রথমে সুন্দরভাবে অজু করে নিন।
২. তিলাওয়াত: উপরোক্ত সূরাগুলো (বিশেষ করে সূরা ইখলাস, ফালাক্ব ও নাস) ৩ বার করে পাঠ করুন।
৩. ফুঁক ও মাসাহ: পাঠ শেষে উভয় হাতের তালুতে ফুঁক দিয়ে পুরো শরীরের যে অংশ স্পর্শ করা সম্ভব, সেখানে বুলিয়ে দিন। নবীজি (সা.) প্রতি রাতে ঘুমানোর পূর্বে এই আমল করতেন।
৪. পানির ওপর ফুঁক: পরিষ্কার খাবার পানিতে উপরোক্ত আয়াতসমূহ পড়ে ফুঁক দিয়ে সেই পানি পান করা ও শরীর ধৌত করা সুন্নাহসম্মত।
২. তিলাওয়াত: উপরোক্ত সূরাগুলো (বিশেষ করে সূরা ইখলাস, ফালাক্ব ও নাস) ৩ বার করে পাঠ করুন।
৩. ফুঁক ও মাসাহ: পাঠ শেষে উভয় হাতের তালুতে ফুঁক দিয়ে পুরো শরীরের যে অংশ স্পর্শ করা সম্ভব, সেখানে বুলিয়ে দিন। নবীজি (সা.) প্রতি রাতে ঘুমানোর পূর্বে এই আমল করতেন।
৪. পানির ওপর ফুঁক: পরিষ্কার খাবার পানিতে উপরোক্ত আয়াতসমূহ পড়ে ফুঁক দিয়ে সেই পানি পান করা ও শরীর ধৌত করা সুন্নাহসম্মত।
🤲 বদনজর ও কষ্টের সময় নবীজির বিশেষ দোয়া
বদনজর থেকে বাঁচার দোয়া:
"আউযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন কুল্লি শাইত্বা-নিঁও ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিল লা-ম্মাহ।"
অর্থ: আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের আশ্রয়ে সুরক্ষা প্রার্থনা করছি প্রত্যেক শয়তান ও বিষাক্ত কীটপতঙ্গ থেকে এবং প্রত্যেক কুদৃষ্টি বা বদনজরের অনিষ্ট থেকে। (সহিহ বুখারী: ৩৩৭১)
"আউযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন কুল্লি শাইত্বা-নিঁও ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিল লা-ম্মাহ।"
অর্থ: আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের আশ্রয়ে সুরক্ষা প্রার্থনা করছি প্রত্যেক শয়তান ও বিষাক্ত কীটপতঙ্গ থেকে এবং প্রত্যেক কুদৃষ্টি বা বদনজরের অনিষ্ট থেকে। (সহিহ বুখারী: ৩৩৭১)
📖 অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সূরা ও আমলসমূহ